সর্বশেষ সংবাদ:

অন্ধকার জগতের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ডিজে নেহা

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার ডিজে নেহা রিমান্ডে নিজের অন্ধকার জগতের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানতে পেরেছেন, ফারজানা জামান ওরফে ডিজে নেহার প্রতিটি পার্টিতেই নতুন নতুন মুখ থাকত। তাদের অধিকাংশ ছিল বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী।

ধনী ব্যক্তিদের পকেট কাটতে এসব তরুণীকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করতেন  ডিজে নেহা। এ ক্ষেত্রে তার হয়ে তরুণ-তরুণীদের একটি চক্রও কাজ করত। তাদের শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।  তবে তিনি সহযোগীদের নাম কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, বেপরোয়া চক্রটির লাগাম টানতে অন্যদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে অতিরিক্ত মদপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বৃহস্পতিবার ডিজে নেহা গ্রেফতার হন। এর পর শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে রাতের ঢাকার বার-রেস্টুরেন্টের অজানা তথ্য বেরিয়ে আসছে।

ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর বাবার করা মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান। মদপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে ধর্ষণ করেন রায়হান। তখন রায়হানের বন্ধুরাও কক্ষে ছিলেন। ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মৃত্যু হয় তরুণীর।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের অপশনে ক্লিক করুন

More News Of This Category